স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের চিকিৎসা শিক্ষা শাখার দুই যুগ্ম সচিবের বিরুদ্ধে নানান দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে উক্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী এক ঠিকাদার।
১২ অক্টোবর ২০২৪ ভুক্তভোগী রাজধানীর মোহাম্মদপুর বাবর রোডস্থ ব্যবসায়ী আব্দুল কালাম স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, জনপ্রশাসন সচিব এবং স্বাস্থ্য সচিব বরাবর পৃথক পৃথক তিনটি লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন।
মূল অভিযুক্তরা হলেন- যুগ্ম সচিব মল্লিকা খাতুন ও এডমিন শাখার যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ আব্দুল কাদের।
ভুক্তভোগী আব্দুল কালাম তার লিখিত বক্তব্যে মল্লিকা খাতুন এবং মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও সেবা বিভাগের “প্রমাণিত” সকল দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মূল অশ্রয়দাতা হিসেবে অবহিত করেন। তিনি আরও বলেন দীর্ঘ প্রায় নয় বছর যাবত এ বিভাগে বিভিন্ন ধরনের বদলি, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ সিন্ডিকেট, ডেন্টাল ও নার্সিং কলেজের আসন বৃদ্ধি, নতুন প্রতিষ্ঠান অনুমোদন, নবায়ন, চিকিৎসকদের বদলিসহ নানান ধরনের টেন্ডার বাণিজ্যের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কাজ করেছেন। এছাড়াও সিন্ডিকেটটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের পছন্দের ব্যক্তিদের টেন্ডার পাইয়ে দিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কমিশন নেবার অভিযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ভুক্তভোগী আব্দুল কালাম তার লিখিত বক্তব্যে জানান, তারিক হাসান অ্যাসোসিয়েট ও বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের গভর্নিং বডির টেন্ডার কমিটির সদস্য আর্কিটেকচার মনজুরুলের সহযোগিতায় বিভিন্ন কলেজে তাদের পছন্দের অধ্যক্ষ বসিয়ে তাদের মাধ্যম দিয়ে টাকার বাণিজ্য করেছেন।
একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি করে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান ব্যবসায়ী আব্দুল কালাম।

