সুন্দোরা ব্ল্যাকফ্রাইডেতে বিভিন্ন পন্যের উপর ডিসকাউন্ট চলছে। সুন্দরা বিউটিতে গ্রাহকরা পারফিউম, স্ক্রীনকেয়ার, মেকআপ এবং মোমবাতির উপর ৭০% ডিসকাউন্ট পাচ্ছেন। সেই সাথে সুন্দোরা কিডস্ জোনে খেলনা এবং কারুশিল্পের উপর ৫০% ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। আগামী ২৫ শে নভেম্বর পর্যন্ত গ্রাহকরা এই সুযোগ নিতে পারবেন। বিউটি প্রোডাক্ট, বাচ্চাদের প্রোডাক্টসহ গৃহস্থালীর ১২০টি জনপ্রিয় আন্তের্জাতিক ব্র্যান্ডের অফিসিয়াল পার্টনার হলো সুন্দোরা। সুন্দোরার বনানী, গুলশান এবং ধানমন্ডিতে ষ্টোরে আপনাকে স্বাগতম। অনলাইনে পণ্য কেনার জন্য লগইন করুন sundora.com.bd তে।
লাইফস্টাইল
তারিখ: ১১ নভেম্বর ২০২৩
এসিআই মটরস বাংলাদেশে ইয়ামাহা মোটরসাইকেলের একমাত্র ডিস্ট্রিবিউটর ও টেকনিক্যাল কলাবোরেটেড পার্টনার। এসিআই স্বনামধন্য কোম্পানির একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০০৭ সালে এসিআই মটরস্ যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে সারাদেশে এর ১১৬ টি ৩এস ডিলার পয়েন্ট রয়েছে
।
২০১৬ সালে ইয়ামাহা নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে এসিআই মটরস্ এর সাথে। শুরু থেকেই ইয়ামাহা ও এসিআই মটরস গ্রাহকদের জন্য ইয়ামাহার আধুনিক প্রজুক্তির মোটরসাইকেল সরবরাহ ও বিক্রয়ত্তোর সেবা নিশ্চিতের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এছাড়া ও মোটরসাইকেল চালকদের সড়ক সচেতনতা বৃদ্ধি ও আগ্রহী চালকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ইয়ামাহা ও এসিআই মটরস সবসময় কাজ করে যাচ্ছে ।
১১ ই নভেম্বর এসিআই মটরস এর সাথে ইয়ামাহা ৭ম বছর পূর্ণ করলো। এ উপলক্ষে রাজধানীর এসিআই সেন্টারে আয়োজিত হয় জমকালো এক অনুষ্ঠানের। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসিআই মটরসের নির্বাহী পরিচালক জনাব সুব্রত রঞ্জন দাস; মিঃ হিরোশি সেতোগাওয়া, সিনিওর জেনারেল ম্যানেজার, ইয়ামাহা মোটর কোঃ লিঃ জাপান এবং ইয়ামাহা ও এসিআই মটরস এর ঊধর্য়তন কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও দেশব্যাপী ইয়ামাহার সকল শো রুমে ইয়ামাহা রাইডারস ক্লাবের সদস্য ও ইয়ামাহার কাস্টমারদের অংশগ্রহণে উদযাপন করা হয় ৭ম বর্ষপূর্তি উৎসব।
গত ০৭/১১/২০২৩ তারিখ রোজ মঙ্গলবার বিকেলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রথমবারের মতো “বঙ্গবন্ধু ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি-২০২৩” এর চেক বিতরণ অনুষ্ঠান জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়। ১০০০ জন ক্রীড়া শিক্ষার্থীকে সর্বমোট ১,৮৩,৯৬,০০০/- (এক কোটি তিরাশি লক্ষ ছিয়ানব্বই হাজার) টাকার বঙ্গবন্ধু ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি-২০২৩” প্রদান করা হয়। এছাড়াও ৫৯ জন ক্রীড়াসেবীদের মাঝে আর্থিক ও চিকিৎসা সহায়তা বাবদ ৮৩,০৫,০০০/- (তিরাশি লক্ষ পাঁচ হাজার) টাকার চেক প্রদান করা হয়।
উক্ত চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এমপি-এর সভাপতিত্বে চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মহিউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল ও হলিক্রস উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিষ্টার কল্পনা কস্তা।
সভাপতির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের খেলোয়ার ও তাঁদের পরিবারের কল্যাণের বিষয়টি চিন্তা করে তাঁর শাহাদাত বরনের ৯ দিন পূর্বে ১৯৭৫ সালের ৬ আগস্ট ‘বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিবারের সকলকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। বঙ্গবন্ধু কন্যা ২০০৯ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইনের মাধ্যমে গঠন করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের এ মেয়াদে অর্থাৎ ২০১৯ সাল অদ্যাবধি সীডমানি হিসেবে বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনকে ৫০ কোটি টাকা প্রদান করেছেন । যার ফলে বর্তমানে এর সর্বমোট সীডমানির পরিমান হচ্ছে ৬৭.৮৫ কোটি টাকা যা বিভিন্ন তফসিলী ব্যাংকে স্থায়ী আমানত হিসেবে রক্ষিত আছে। যার মুনাফা এবং প্রতি বছর সরকারের রাজস্ব বাজেট বিশেষ অনুদান হিসেবে প্রাপ্ত অর্থ দ্বারা অসচ্ছল, আহত ও অসমর্থ ক্রীড়াসেবীদের মাসিক ক্রীড়া ভাতা, চিকিৎসা সহায়তা এবং বঙ্গবন্ধু ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ২০০৯ সাল হতে এ পর্যন্ত ৯,৫৮৭ জনকে ১৯ কোটি ৪ লক্ষ টাকা ক্রীড়াভাতা প্রদান করা হয়েছে। ফাউন্ডেশনের সিডমানির মুনাফা হতে এ পর্যন্ত সর্বমোট ২২৩ জন ক্রীড়াসেবীদের-কে চিকিৎসা/আর্থিক সহায়তা হিসেবে ২,৭২,০৫,০০০/- (দুই কোটি বাহাত্তর লক্ষ পাঁচ হাজার) টাকা প্রদান করা হয়েছে।
করোনাকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কর্তৃক ৭৭৬৭ (সাত হাজার সাতশত সাতষট্টি) জন অসচ্ছল ক্রীড়াসেবীদের প্রতিজনকে ৫,০০০/- টাকা হারে সর্বমোট ৩,৮৮,৩৫,০০০/- (তিন কোটি আটাশি লক্ষ পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকা করোনাকালীন বিশেষ অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন কর্তৃক ক্রীড়া ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে বঙ্গবন্ধু ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি প্রদানের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মাদক ও অন্যান্য খারাপ কাজ থেকে বিরত হয় খেলাধুলা ও সুস্থ সংস্কৃতি চর্চায় অধিক মনোযোগী হবে। তিনি এনএসসি টাওয়ারে নব নির্মিত শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
উল্লেখ্য যে, ক্রীড়া ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার জন্য প্রথমবারের মতো বঙ্গবন্ধু ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তির চেক প্রদান করা হয়। ৫ম শ্রেণী হতে ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মাসিক ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা হারে বাৎসরিক ১২,০০০/- (বার হাজার) টাকা এবং একাদশ শ্রেণী হতে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাসিক ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা হারে বাৎসরিক ২৪,০০০/- (চব্বিশ হাজার) টাকা ১০০০ জন ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের মাঝে সর্বমোট ১,৮৩,৯৬,০০০/- (এক কোটি তিরাশি লক্ষ ছিয়ানব্বই হাজার) টাকার চেক বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ৫৯ জন ক্রীড়াসেবীদের মাঝে আর্থিক ও চিকিৎসা সহায়তা বাবদ ৮৩,০৫,০০০/- (তিরাশি লক্ষ পাঁচ হাজার) টাকার চেক প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় সিড রাউন্ডে বিনিয়োগ হিসাবে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন যা পেল টাইগার নিউ এনার্জি। প্রতিষ্ঠানটি সফলভাবে ২৭ কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগ পেয়েছেন।
টাইগার নিউ এনার্জি একটি নেতৃস্থানীয় দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম যাদের ইতিমধ্যেই টেকসই এবং উদ্ভাবনী স্টার্টআপ নিয়ে কাজ করার গুরুত্বপূর্ণ ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে। বিশ্বায়নের এই সময়ে যখন বিশ্বব্যাপী বিলাসবহুল ব্র্যান্ডগুলি বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লবকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তখন বাংলাদেশ একটি উদ্ভাবনীয় পদ্ধতির অগ্রজ ভূমিকা পালন করছে। গড়ে প্রতিদিন প্রায় ২৫ লক্ষ বৈদ্যুতিক যানবাহন দেশের রাস্তায় চলাচল করে। যার অধিকাংশই তিন চাকার বৈদ্যুতিক যান।
বৈদ্যুতিক এসব বাহনগুলোতে সাধারণত লেড এসিড ব্যাটারি ব্যবহৃত হয়, যার স্থায়ীত্বকাল কম ও চার্জ হতে অনেক সময় লাগে। সেক্ষেত্রে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি অনেক বেশি স্থায়ী ও পরিবেশবান্ধব। টাইগার নিউ এনার্জির স্টেশনগুলো চালকদের কয়েক মিনিটের মাঝেই ব্যাটারিটা পরিবর্তন করে নতুন আরেকটি চার্জ করা ব্যাটারি দিতে সহযোগিতা করবেন। ব্যাটারি পরিবর্তনেও এককালীন কোন খরচ হবেনা। মাত্র কয়েকশ টাকা খরচ করেই, চালকরা সম্পূর্ণভাবে চার্জ করা ব্যাটারি পেয়ে যেতে পারবেন।
বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকোল মাও এবং ইউয়ে ঝু বাংলাদেশে তিন চাকার ব্যাটারি চালিত যানবাহনের জন্য নিয়ে এসেছে যুগান্তকারী এক উদ্ভাবন। টাইগার নিউ এনার্জি নামক কোম্পানির মাধ্যমে তারা দেশজুড়ে পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ব্যবস্থা ছড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
নবনিযুক্ত ঢাবি উপাচার্যের সাথে ট্রমা সেন্টার মেডিকেল ইনস্টিটিউটস এর প্রতিনিধি দলের সৌজন্যে সাক্ষাৎ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯তম উপাচার্য হিসেবে গত ৪ নভেম্বর ২০২৩ শনিবার সকাল ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ও ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল। অদ্য ০৮-১১-২৩ রোজ বুধবার নবনিযুক্ত উপাচার্যের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ ট্রমা সেন্টার মেডিকেল ইনস্টিটিউটস, মিরপুর ঢাকা এর একটি প্রতিনিধি টিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটস এর চেয়ারম্যান জিয়াউল হক, পরিচালক তানজিনা খান, অধ্যক্ষ ডাঃ মোঃ তাজুল হোসেন তালুকদার, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন, কোর্স কো-অডিনেটর আব্দুর রউফ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: রাফিজুল ইসলাম, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো: সাইদুর রহমান নিরব, অনন্য কর্মকর্তারা। প্রতিষ্ঠানের জনসংযোগ বিভাগ থেকে জানানো হয়, এ-সময় প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষ করে শিক্ষা নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা হয়, তখন নবনিযুক্ত উপাচার্যকে তাদের শেওড়াপাড়ায় অবস্থিত ট্রমা কলেজ অফ হেলথ্ সাইন্স, ট্রমা নার্সিং কলেজ ও শ্যামলীতে অবস্থিত শ্যামলী নার্সিং কলেজে আমন্ত্রণ করে এবং তিনি তা গ্রহণ করেন।
০৮ নভেম্বর ২০২৩
অস্ট্রেলিয়ার নাম্বার ১ ব্র্যান্ড প্রেইজ এর আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন অনুষ্ঠিত হয় ৮ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে। এসিআই এডিবল অয়েলস্ লিমিটেড সুপারস্টোর স্বপ্ন- গুলশান ১ আউটলেটে পৃথিবী বিখ্যাত জনপ্রিয় ব্র্যান্ড “প্রেইজ” এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষনা করে। “প্রেইজ” ব্র্যান্ডটি পৃথিবী বিখ্যাত
গুডম্যান ফিল্ডার এর পরিবারভুক্ত যা কিনা ফরচুন ৫০০ কোম্পানী গুলোর প্রথম সারির কোম্পানী উইলমার গ্রুপের একটি অংগসংগঠন। “প্রেইজ” ব্র্যান্ডটি ১৯৬৪ সাল থেকে মুখরোচক মজাদার ক্রিমি
মেয়ো ও রুচিকর ড্রেসিং পন্য গুলো খাবারে যোগ করে আসছে বাড়তি আমেজ। প্রেইজের রয়েছে বাহারী পন্য সম্ভার, যার মধ্যে হেলদি ফ্যাট ফ্রি মেয়ো, ট্রাডিশনাল মেয়ো, সালাদ ড্রেসিং পন্য গুলো অন্যতম । প্রেইজের যাদুকরি স্বাদে ফ্রাইড ফুডস, স্ন্যাক্স, স্যান্ডউইচ, র্যাপস্ সহ বিভিন্ন রকম সালাদ আইটেমের স্বাদ হয় অতুলনীয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের অর্থনৈতিক বিভাগের সেকেন্ড
সেক্রেটারী জোশুয়া গাচুতান এবং অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের সিনিয়র ডিরেক্টর জনাব মিনহাজ চৌধুরী। আরো উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনের সিনিয়র ডিরেক্টর ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট জনাব মোস্তাফিজুর রহমান এবং পোগ্রাম ম্যানেজার নিটল দেওয়ান প্রমুখ।
এসিআই এডিবল অয়েলস লিমিটেডের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজনেস ডিরেক্টর ফারিয়া ইয়াসমিন, সাপ্লাই চেইন এন্ড লজিস্টিকস্ লিড জনাব এম লোকমানুর রহমান, বিজনেস ম্যানেজার মইনুর রহমান। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে স্বপ্ন সহ অন্যান্য সুপার শপ আউটলেট
গুলোতে “প্রেইজ” পন্য সমূহ পাওয়া যাচ্ছে।
তথ্যসুত্র: ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশন।
উচ্চ শিক্ষার জন্য বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের ১২৪টি রাশিয়ান সরকারী বৃত্তি বরাদ্দ।
৭ নভেম্বর ২০২৩
রাশিয়ায় উচ্চ শিক্ষার সুযোগের উপর একটি সেমিনারে, ঢাকায় রাশিয়ান হাউসের পরিচালক, পাভেল দভয়চেনকভ ঘোষণা করেন যে, রাশিয়ান সরকার ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের জন্য স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি কোর্সে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের রাশিয়ায় পড়ার সুযোগ বাড়াতে ১২৪টি বৃত্তি বরাদ্দ করেছে। । ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে মোট বৃত্তির সংখ্যা ছিল ১১০টি।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি যারা রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী উপস্থিত শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে রাশিয়ান সরকার প্রতি বছর বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের অনেক বৃত্তি প্রদান করে এবং ঢাকায় রাশিয়ান হাউসের মাধ্যমে প্রচারাভিযান সহ সব ধরনের সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য বৃত্তি আবেদন প্রক্রিয়া গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। তিনি রাশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পেতে সময় নষ্ট না করে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্য অংশগ্রহণকারীদের আমন্ত্রণ জানান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রাশিয়া সরকারের সহায়তায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে। প্রকল্পটির জন্য বিভিন্ন বিভাগে প্রচুর প্রতিভাবান জনবলের প্রয়োজন হবে এবং রাশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলির স্নাতকদের কাজ করার বিশেষ সুযোগও রয়েছে।
সেমিনারে মস্কো পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের উপ-প্রধান আলিনা আন্দ্রুখ অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুযোগ ও সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরেন।
সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন সোভিয়েত প্রাক্তন ছাত্র এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের প্রাক্তন অধ্যাপক ড. তাইবুল হাসান খান(ডক্টর অফ হিস্ট্রি, পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি অফ রাশিয়া, এবং রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকার রুশ ভাষা কোর্সের শিক্ষক মিসেস ইয়াসমিন সুলতানা। তারা উপস্থিত সকলকে রাশিয়ায় বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য উৎসাহিত করেন।
৬ নভেম্বর ২০২৩
কথক আয়োজিত প্রয়াত কবি আসাদ চৌধুরী স্মরণে আয়োজন করা হয় এক আলোচনা ও কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান।
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর কাছে আসাদ চৌধুরী ব্যাপকভাবে পরিচিত। কালের সীমা অতিক্রম করে তিনি হয়েছেন কালোত্তীর্ণ।
আসাদ চৌধুরী একাধারে কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও আবৃত্তিকার। আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি। সাহিত্যে তিনি গণমুখী, নান্দনিক ও রোমান্টিক। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বাংলার লোকায়ত জীবন সবই তাঁর লেখায় স্পষ্ট করে ফুটিয়ে তুলেছেন।
আসাদ চৌধুরীর সাহিত্য সম্ভার সব ধরনের মানুষের পছন্দ। তথ্য ও ভাবনার রসদ পান সব বয়সের পাঠক। বাংলাসাহিত্যে তাঁর সৃষ্টি ও কাজের ব্যাপ্তি একটি লেখায় বোঝানো সহজ নয়। তাঁর কবিতা বা প্রবন্ধ পড়েই কেবল মননের গভীরতা উপলব্ধি করা সম্ভব হতে পারে।
বাংলা সাহিত্যের পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও জনপ্রিয় এই কবি আসাদ চৌধুরী গত ৫ অক্টোবর ২০২৩ কানাডার টরোন্টোতে
শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
প্রথম কবিতার বই ‘তবক দেওয়া পান’ এ পরিচিতি পান কবি আসাদ চৌধুরী। সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও ২০১৩ সালে একুশে পদক লাভ করেন।
কথকের আয়োজনে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মিলনায়তনে আজ সোমবার ০৬ নভেম্বর ২০২৩ বিকাল ৬ টায় কবি আসাদ চৌধুরী স্মরণে দেশের বরেণ্য কবি, সাংবাদিক, শিল্পী, আবৃত্তিকারসহ কবি আসাদ চৌধুরীর বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
জার্মানীর প্রখ্যাত কবি টোবিয়াস বুরঘার্ট ও ইউনা বুরঘার্ট এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন ও কবিতা আবৃত্তি করেন। ‘শ্রুতিঘর’ এর আবৃত্তিকারগণ কবি আসাদ চৌধুরীর কবিতা আবৃত্তি করে সবাইকে বিমোহিত করেন।
কবি আমিনুর রহমান পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।
আয়োজন সহযোগিতায় : ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশন
শ্রমিক-কর্মচারীদের উজ্জীবিত রাখতে তাদের সাথে বৈঠক করেছেন দেশবন্ধু টেক্সটাইল মিলসের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা। শনিবার (৪ নভেম্বর) তিনি নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে অবস্থিত কারখানা পরিদর্শনে যান।
বৈঠকে শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে গোলাম মোস্তফা বলেন, পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, দেশবন্ধু টেক্সটাইল মিলসের শ্রমিক-কর্মচারীদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। এ কারখানা কখনো বন্ধ হবে না। বরং এটি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দেশবন্ধু টেক্সটাইল মিলসের চেয়ারম্যান বলেন, ‘এটি শুধু আমার নয়, আপনাদেরও সম্পদ। এটিকে হেফাজত করা আমাদের সবার দায়িত্ব’।
তিনি শ্রমিকদের সুখ-দুঃখে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তাদের যে কোনো সমস্যা জেনে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করবেন বলে জানান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি একটি কম্প্লেন বক্স তৈরি করতে বলছি। আপনাদের কোনো অভিযোগ থাকলে সেখানে অভিযোগ জমা দেবেন। আমি বিশ্বের যেখানেই থাকি না কেন, তা আমার কাছে পৌঁছে যাবে।’
চেয়ারম্যানকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বসিত শ্রমিকরা কারখানার উৎপাদন বাড়ানো ও এটিকে আগলে রাখার আশ্বাস দেন।
তিনি কারখানা প্রাঙ্গনে একটি গাছের চারা রোপন করেন। পরে শ্রমিকদের সাথে এক টেবিলে বসে দুপুরের খাবার গ্রহণ করেন তিনি।
দেশবন্ধু টেক্সটাইল মিলসের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফার কারখানা পরিদর্শনের সময় কোম্পানির পরিচালক মইনুল হাসান লাল, নির্বাহী পরিচালক হাসান ইমাম তুহিন, মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ মোসাব্বির হোসেন, মহাব্যবস্থাপক মোঃ শহীদুজ্জামান, মহাব্যবস্থাপক ওহীদুল হক রুবেল, হেড অব ওয়াশিং অজান্তা ডি সিলভা।
উল্লেখ, দেশবন্ধু টেক্সটাইল মিলস একটি সমন্বিত ওভেন পোশাক কারখানা। এর রয়েছে ওয়েভিং, কাটিং, ওয়াশিং ও ফিনিশিং ইউনিট। এ কারখানায় প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক কর্মরত, যার বড় অংশই সৈয়দপুর-নীলফামারী অঞ্চলের। স্থানীয় কর্মসংস্থানে কোম্পানিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া এ কারখানায় কিছু বিদেশী টেকনিশিয়ানও কর্মরত আছেন।
কারখানাটির মাসিক উৎপাদনক্ষমতা ১৫ লাখ পিস পোশাক। কারখানাটিতে পুরুষ, নারী ও শিশু-কিশোরদের পোশাক তৈরি করা হয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের অনেকগুলো বিখ্যাত পোশাক ব্র্যান্ড এ কারখানার ক্রেতা। এর রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রায় সব মানসনদ।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে দেশবন্ধু টেক্সটাইল মিলস ও দেশবন্ধু গ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা অর্থসূচককে বলেন, শ্রমিকরা যে কোনো কারখানার প্রাণ। তাদের সাথে আমাদের নিবিড় যোগাযোগ থাকা দরকার। আমি বন্ধুর মত তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করি। আমি বিশ্বাস করি, তারা যদি মনে করেন, মালিকরা তাদের সাথে আছেন, তাহলে তারা উজ্জ্বীবিত হন, তাদের উৎপাদনশীলতা বেড়ে যায়।
তিনি বলেন, আমরা এখন একটা অস্থির সময় পার করছি। এ সময়ে নানা সুযোগসন্ধানী গ্রুপ নানা অপকর্মের মাধ্যমে ক্ষতির চেষ্টা করতে পারে। মালিক-শ্রমিকদের মধ্যে হৃদ্যতাপূর্ণ ও ঘনিষ্ট সম্পর্ক থাকলে তারা কোনো ক্ষতি করার সুযোগ পাবে না। তাই সব মালিকেরই উচিত শ্রমিকদের কাছে যাওয়া, তাদের আশ্বস্ত করা; তাদেরকে বলা-কারখানার ভাল-মন্দের সাথে শুধু মালিকের সম্পর্ক নেই, শ্রমিকদেরও সম্পর্ক আছে। কারখানা ভাল চললে তারাও ভাল থাকবেন।

