
‘নিউজ ক্লাউড ২১’ এর সকল পাঠক, লেখক, শুভানুধ্যায়ী ও বিশ্বের সকলকে ইংরেজী নতুন বছরের শুভেচছা। ২০২৪ সকলের জীবনে বয়ে আনুক ঝঞ্জামুক্ত নিরাপদ সুশৃঙ্খল বর্ণিল জীবন।
১৯ ডিসেম্বর ২০২৩’ গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব’ দেশী ও বিদেশী শিল্পীদের বৈচিত্র্যময়
পরিবেশনায় মুখরিত জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তন
চলবে ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত
শিল্প সংস্কৃতিঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অভিলক্ষ্যে ‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় শিল্প নিয়ে পৌঁছে যাবো আমরা উন্নতির শিখর’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ‘গণজাগরণের শিল্প আন্দোলন’কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। শিল্পের সকল শাখার সমন্বয়ে দেশব্যাপী বহুমুখী সাংস্কৃতিক কর্মযজ্ঞের বাস্তবায়িত রুপ ‘‘গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব, যন্ত্র সংগীত উৎসব এবং অ্যাক্রোবেটিক উৎসব”। এই সামগ্রিক উন্নয়ন পক্রিয়ায় সর্বসাধারণকে সম্পৃক্ত ও অনুপ্রাণিত করতে ডিসেম্বর মাসব্যাপী চলছে গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব।
আজ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ৯ দিনব্যাপী গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব এর তৃতীয় দিনের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক পরিবেশনার শুরুতেই সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল নৃত্যালোক, নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন কবিরুল ইসলাম রতন, পরিবেশন করে ‘সবকটা জানালা খূলে দাও না’ এবং ‘ও আমার দেশের মাটি’। এছাড়াও সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল কায়া আশ্রম নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন- অমিত চৌধুরী, পরিবেশন করে ‘মুক্তির আহ্বান’ ও ‘শোনো বাংলার জনসমুদ্র’। সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যম নৃত্যদল, নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন তামান্না রহমান ‘জ্বলে ওঠো বাংলাদেশ’ এবং ‘দৃষ্টি দিগন্তে আমার’ । এছাড়াও মনোজ্ঞ সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল নৃত্যদল ‘মানবো না এ বন্ধনে।
অনুষ্ঠানে একক পরিবেশন করেন অন্তরা রহমান ‘সেই তুম’; বিজন চন্দ্র মিস্ত্রী পরিবেশন করেন ‘কারার ঐ লৌহকপাট/ এই না বাংলাদেশের গান’; একক সংগীত পরিবেশন করেন রাফি তালুকদার ‘মামুনিয়া’। সংগীত পরিবেশন করেন অনুপমা মুক্তি গোমেজ। পরে দলীয় সংগীত পরিবেশন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিল্পীরা ‘ নোঙ্গর তোল তোল’। এরপর লোক সংগীত পরিবেশন করেন রতন মজুমদার।
মাঝ পর্যায়ে বিদেশী শিল্পীদের পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। মনোমুগ্ধকর চাইনিজ মার্শাল আর্ট পরিবেশন করেন চীনের শিল্পীরা- ইয়াং হই, রাও জিয়াহাও, জিন ইউ, ইন জু,জে মেঙ্গলি, ঝাও জিং ইয়ান, চি ইউজু’। এছাড়াও চায়নিজ জ্যাজ পরিবেশন করেন বিদেশী চাইনিজ শিল্পীরা- লি জিয়াওইউ, গুও ইয়াতিং, গং রুরু লি জিং।
আবৃত্তি করেন রফিকুল ইসলাম ও রুপ চক্রবর্তী।
এছাড়াও তারকা শিল্পী হিসেবে পরিবেশনায় যুক্ত হোন এম এম কামরুল হাসান রওনক এবং সাজু খাদেম। গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব নিয়ে এবং দেশের সংস্কৃতি চর্চার স্বরুপ নিয়ে দর্শকদের উদ্দেশ্যে উৎসাহমুলক বক্তব্য প্রদান করেন তারা। সংস্কৃতির চেতনাবোধ এবং মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে সংস্কৃতি চর্চায় শিশু ও তরুণদের উতসাহিত করার আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠানে উপস্থাপনায় ছিলেন- ফেরদৌস আরা বন্যা।
তথাসুত্র:
জনসংযোগ কর্মকর্তা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
১৮ ডিসেম্বর ২০২৩
বিজয়ের মাস জুড়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজন:
সারাদেশে সারাদেশের দেড় হাজার যন্ত্রশিল্পীদের নিয়ে একযোগে শুরু হলো ৯ দিনব্যাপী
গণজাগরণের যন্ত্র সংগীত উৎসব
“এক সময় আমাদের ছয়শত একুইস্টিক যন্ত্র ছিলো এই দেশে, কালের গর্ভে অনেক যন্ত্র হারিয়ে গেছে। যেগুলো আছে তা আর হারাতে চাই না, সেগুলো আমরা সংরক্ষণ করতে চাই। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে একটি যন্ত্রসংগীতের মিউজিয়াম করতে চাই তার মাধ্যমে সকল যন্ত্রের সুর সংরক্ষণ করা হবে”। – জনাব লিয়াকত আলী লাকী, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
শিল্প সংস্কৃতিঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অভিলক্ষ্যে ‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় শিল্প নিয়ে পৌঁছে যাবো আমরা উন্নতির শিখর’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ‘গণজাগরণের শিল্প আন্দোলন’কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। শিল্পের সকল শাখার সমন্বয়ে দেশব্যাপী বহুমুখী সাংস্কৃতিক কর্মযজ্ঞের বাস্তবায়িত রুপ ‘‘গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব, যন্ত্র সংগীত উৎসব এবং অ্যাক্রোবেটিক উৎসব”। এই সামগ্রিক উন্নয়ন পক্রিয়ায় সর্বসাধারণকে সম্পৃক্ত ও অনুপ্রাণিত করতে ডিসেম্বর মাসব্যাপী চলছে গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব।
আজ ১৮ ডিসেম্বর সোমবার সারাদেশে একযোগে উদ্বোধন করা হলো গণজাগরণের যন্ত্রসংগীত উতসব। সারাদেশে জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের বরেণ্য একাডেমির সচিব জনাব সালাউদ্দিন আহাম্মদ ও যন্ত্রসংগীত শিল্পী মনিরুজ্জামান এবং অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিকেলে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তন থেকে অনুষ্ঠানে সরাসরি সম্প্রচারে যুক্ত ছিলেন জেলা প্রশাসকগণ এবং জেলা কালচারাল অফিসারগণ।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্যে মহাপরিচালক বলেন- “সবধরনের অপপ্রচার পরিহার করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এই সংস্কৃতির ভুমিতে দাড়িয়েঁ সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে”।
তিনি বলেন- “সারাদেশের দেড় হাজার যন্ত্রশিল্পী এই অনুষ্ঠানে যুক্ত আছে, তাদের সাধুবাদ জানাই। এক সময় আমাদের ছয়শত একুইস্টিক যন্ত্র ছিলো এই দেশে কালের গর্ভে অনেক যন্ত্র হারিয়ে গেছে সেগুলো আমরা সংরক্ষণ করতে চাই। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে একটি যন্ত্রসংগীতের মিউজিয়াম করতে চাই তার মাধ্যমে সকল যন্ত্রের সুর সংরক্ষণ করা হবে। সারাদেশে যত যন্ত্রশিল্পী আছে তাদের তালিকা করে তাদের পাশে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। যারা যন্ত্র তৈরী করে তারাও বড় শিল্পী তাদের পৃষ্টপোষকতা করতে চাই”।
মহাপরিচালক আরো বলেন- “আমরা ২য় বারের মত জাতীয় পর্যায়ে যন্ত্র সংগীত উতসব আয়োজন করলাম। আমাদের শক্তি, আমাদের বল- আমাদের ভাষা, আমাদের হাজার হাজার মনিষীরা। আমাদের দেশ সৃজনশীল ১৭ কোটি মানুষের মাঝে আমরা সংস্কৃতির পরিবার গড়ে তুলতে চাই”।
এরপর যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করেন একাডেমির যন্ত্রসংগীত শিল্পীরা। যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করেন বরেণ্য শিল্পী মনিরুজ্জামান। ৮-২৬ ডিসেম্বর ২০২৩ সারাদেশে অনুষ্ঠিত হবে গণজাগরণের যন্ত্র সংগীত উৎসব।
‘গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব’ দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হলো মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা
১৭-২৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ৯ দিনব্যাপী
আজ ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩ সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ৯ দিনব্যাপী গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব এর ২য় দিনের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘ক্যানভাসে বঙ্গবন্ধু’ সমবেত নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হলো গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উতসবের ২য় দিনের পরিবেশনা। নৃত্য পরিবেশন করে ধ্রুপদি নৃত্যালয়, নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন স্নাতা শাহরীন।পরে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে পল্লবী ডান্স সেন্টার (নৃত্য পরিচালক- মিনু হক) ‘জন্ম আমার জন্মেছি মা’। আবারো সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে ম্যাশ মাহাবুব কোরিওগ্রাফি টিম, নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন মাশরুর ও মাহাবুব। তারা পরিবেশন করেন ‘বলবীর’। ২য়বার সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে ধ্রুপদি নৃত্যালয় (নৃত্য পরিচালক- স্নাতা শাহরীন) ‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়’। সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে পল্লবী ডান্স সেন্টার (নৃত্য পরিচালক- মিনু হক) ‘জয় সত্যের জয়’। আবারো সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন ম্যাশ মাহাবুব কোরিওগ্রাফি টিম (নৃত্য পরিচালক- মাশরুর ও মাহাবুব) ‘নদীর কূল নাই’ এবং সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশু নৃত্য শিল্পীরা।
একক পরিবেশন করেন শিল্পী ইমামুর রশীদ; বর্ণলী সরকার। সংগীত পরিবেশন করেন আজিজুর রহমান তুহিন ‘এখন আর দেরী নয়’; একক সংগীত পরিবেশন করেন অনিমা মুক্তি গোমেজ। এরপর তালিকাভুক্ত প্রতিশ্রুতিশীল সংগীত শিল্পীরা পরিবেশন করে। বিদেশী শিল্পীদের পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। আলগা রায় (রাশিয়া) সংগীত পরিবেশন করেন। আবৃত্তি পাঠ করেন রেজিনা ওয়ালী নীলা ও গোলাম সারোয়ার। এছাড়াও তারকা শিল্পী হিসেবে পরিবেশনায় যুক্ত হোন ফজলুর রহমান বাবু এবং ছবি।
অনুষ্ঠানে উপস্থাপনায় ছিলেন আব্দুল্লাহ আল মনসুর বিপ্লব।
১৭-২৩ ডিসেম্বর ঢাকার ৩৬ টি স্থানে প্রদর্শিত হচ্ছে অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী:
অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী:
আজ ২য় দিনে রাজধানীর মিরপুরের বিভিন্ন স্থানে পরিবেশিত হয়েছে গণজাগরণের অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ও নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় ভ্রাম্যমান অ্যাক্রোবেটিক দল ঢাকা মহানগরের ৩৬ টি স্থানে অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শন করবে। দ্বিতীয় দিনের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে মিরপুর বাংলা কলেজ মাঠ, শেখ রাসেল মাঠ সহ বিভিন্ন স্থানে। ১৭-২৩ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন স্থানে এ অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী ভ্রাম্যমানভাবে অনুষ্ঠিত হবে। আগামিকাল অ্যাক্রোবেটিক দল মহানগরের
তথ্যসুত্র:
জনসংযোগ কর্মকর্তা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
আগামিকাল ১৪ই ডিসেম্বর ২০২৩ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানমালা ও কর্মসূচীর আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। একইসাথে ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস-২০২৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে ১৫ ও ১৬ ডিসেম্বর ২ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। এ উপলক্ষ্যে ৩ দিনব্যাপী কবিকণ্ঠে কবিতা পাঠ, আবৃত্তি, অ্যাক্রোব্যাটিক প্রদর্শনী, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
আগামীকাল ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ বৃহস্পতিবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে সকাল ৯.০০টায় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ও রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে শহীদদের স্মরণে একাডেমির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হবে। সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ও রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। স্বরচিত কবিতাপাঠ, আবৃত্তি ও দেশের গান এবং সন্ধ্যা ৫.৩০ টায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
১৫ ডিসেম্বর ২০২৩ শুক্রবার, সন্ধ্যা ৫.৩০ মিনিটে একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে শিশু-কিশোর ও যুবদের নিয়ে বিজয়ের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
১৬ ডিসেম্বর ২০২৩ শনিবার, সকাল ৯.০০ টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাডেমির পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির কর্মকর্তা, শিল্পী এবং কর্মচারীবৃন্দ। সকাল ৯.১৫ মিনিটে আয়োজিত হবে স্বরচিত কবিতাপাঠ, আবৃত্তি, দেশের গান ও অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী। সন্ধ্যা ৫.৩০ টায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে বিজয় দিবসের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
তথ্যসুত্র: জনসংযোগ কর্মকর্তা, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।
এন্ড্রো ত্রিপুরা
বান্দরবান প্রতিনিধি।।
দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে ২য় বারের মতো বান্দরবান জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুছকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার ২ডিসেম্বর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এই বিষয়ে বান্দরবান জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুছ সাংবাদিকদের বলেন, কোন প্রকার কারন দর্শানো নোটিশ না দিয়ে এই ধরণের বহিষ্কার করা অন্যায়, আমি প্রত্যাহারের জন্যও আবেদন করবো না। বিএনপির নেতা আব্দুল কুদ্দুছ এর বহিষ্কার প্রসঙ্গে বান্দরবান বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি ওসমান গণি সাংবাদিকদের জানান,আমি চিকিৎসার জন্য বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছি, কুদ্দুছ চেয়ারম্যান এর বহিষ্কার করার বিষয়ে আমি কিছু জানিনা।
প্রসঙ্গত, আব্দুল কুদ্দুছ বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধীতা করার কারনে ২০১৯ সালের ৩ মার্চ জেলা বিএনপির এই প্রভাবশালী নেতাকে বহিষ্কার করা হলে পরে প্রত্যাহার করা হয়। ২ডিসেম্বর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ২য় বারের মতো বান্দরবান জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুছকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
বান্দরবান প্রতিনিধি।।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবান ৩০০ নং সংসদীয় আসনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং,স্বতন্ত্র প্রার্থী মংঞে প্রু চৌধুরী এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী এটিএম শহিদুল ইসলামের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন। রবিবার ৩ডিসেম্বর সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে তিন প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই- বাছাইয়ের পর তাদের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রায়হান কাজীমি, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ সাদাত হোসেন’সহ প্রার্থীর প্রস্তাব কারী, সমর্থনকারীসহ অন্যরা । উল্লেখ্য এই আসন হতে বিগত ৬ টি জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত নৌকার প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং নির্বাচিত সাংসদ ছিলেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বান্দরবান-৩০০ নং আসনের ৭টি উপজেলা, ২টি পৌরসভা, ৩৪ টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২,৯৩,৯১১ জন। এর মধ্যে ১,৫২,৭৭৯ জন পুরুষ, ১,৪১,১৩২ জন মহিলা ভোটার রয়েছে। মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা- ১৮২ টি।
বাংলাদেশের শিল্পকলা একাডেমিতে নবনিযুক্ত ১১-২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের স্বল্পমেয়াদী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে নবনিযুক্ত ১১-২০তম গ্রেডের ৩৩ জন কর্মচারীদের স্বল্পমেয়াদী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশিক্ষণ বিভাগের ব্যবস্থাপনায় একাডেমিতে আজ ২৯ নভেম্বর বিকাল ৩.০০টায় কর্মচারীদের আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র বিতরণ করেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। ১৪ দিনব্যাপী স্বল্পমেয়াদী বুনিয়াদি কোর্সের সমাপনী দিনে আজ সনদপত্র বিতরণের এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন একাডেমির সম্মানিত সচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ। সভাপতিত্ব করেন প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক জনাব মুহাম্মদ শরিফুল হক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন একাডেমির কর্মকর্তাবৃন্দরা।
একাডেমির মহাপরিচালক সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ’যে যার অবস্থান থেকে সংস্কৃতির ধারক হয়ে ওঠতে হবে। সৎ ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশের সংস্কৃতি চেতনা ও এই ধারাকে সমুন্নত রাখতে সবাই হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে হবে” ।
স্বল্পমেয়াদী এ বুনিয়াদি কোর্সের মাধ্যমে কর্মীকে দক্ষ করে গড়ে তোলার লক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এ ধরনের প্রশিক্ষণ আয়োজন করে থাকে। প্রশিক্ষণে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ইতিহাস, রূপকল্প, অভিলক্ষ্য, কার্যক্রম, বাংলাদেশের সংবিধান, আইন, বিধিমালা সম্পর্কে সম্যক ধারনা; প্রকল্প ব্যবস্থাপনা; আর্থিক সুবিধাদি; বিভাগীয় মামলা, তদন্ত প্রক্রিয়া; বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি; ই-গভর্নেন্স ও ইনোভেশন; সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি ও তথ্য অধিকার আইন; ডি নথি; অনুষ্ঠান আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা; চারুকলা ও বাংলাদেশের চিত্রশিল্প সম্পর্কে সম্যক ধারণা; নন্দন তত্ব; বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে সম্যক ধারণা; সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির ইতিহাস বিষয়ে সম্যক ধারণা; লোক সংস্কৃতি ও ক্ষুদ্র নৃগো্ষ্ঠীর জীবন সংস্কৃতির সম্যক ধারণা ইত্যাদিসহ নানাবিদ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
তথ্যসুত্র: জনসংযোগ কর্মকর্তা,
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে বান্দরবান আওয়ামী লীগ প্রার্থী পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।
২৯ শে নভেম্বর বুধবার সকালে বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিনের কাছে এই মনোনয়ন ফরম জমা দেন তিনি।
অন্যদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রাজপুত্র মংঞে প্রু চৌধুরী ও রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়ন জমা দেন। মনোনয়নপত্র জমা দানের সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা, সহ-সভাপতি পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব মোঃ শফিকুর রহমান, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল কান্তি দাশ,জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লক্ষ্মীপদ দাস,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাহাদুর, সাংগঠনিক সম্পাদক ক্যসাপ্রু মারমা, অজিত কান্তি দাশ, জেলা আ: লীগের সদস্য চৌধুরী প্রকাশ বড়ুয়া, জেলা পরিষদের সদস্য সত্যহা পাঞ্জা ত্রিপুরা, জেলা পরিষদের সদস্য সিং ইয়ং ম্রো, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবু অমল কান্তি দাশ,পৌর আওয়ামী লীগের ও পৌর মেয়র মো: শামসুল ইসলাম,বান্দরবান লামা পৌর মেয়র জহির উদ্দীন চৌধুরী, আ: লাীগের মো: আবুল কালাম,মো:খলিল’সহ দলের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে জাতীয় পার্টি মঞ্জু গ্রুপের সমর্থিত প্রার্থী এটিএম শহিদুল ইসলাম মনোনয়নপত্র জমা দানের কথা থাকলেও এখনো তিনি দেননি। তবে তিনি জানিয়েছেন আজকালের মধ্যেই তিনি মনোনয়ন জমা দিবেন। সাত উপজেলা ও দুটি পৌরসভা নিয়ে বান্দরবান ৩০০ নম্বর সংসদীয় আসন। ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬৮ হাজার ৩০।
১৯৯১ সাল থেকে এ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈসিং এই আসনটিতে নির্বাচিত হয়ে আসছেন। বর্তমানে তিনি পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন। এবারও তিনি সপ্তমবারের মতো নির্বাচিত হবেন বলে আশা ব্যক্ত করেছেন।
এন্ড্রো ত্রিপুরা
বান্দরবান প্রতিনিধি।।
এন্ড্রো ত্রিপুরা
বান্দরবান প্রতিনিধি
বান্দরবান সেনা রিজিয়ন ও পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার পাইক্ষ্যং ও ক্যাপলং পাড়ায় বসবাসকারী ১১০ টি পুনর্বাসিত পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়। মানবিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৬৯পদাতিক ব্রিগেড কমান্ডার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন আহমেদ এসজিপি,এনডিসি,এএফ ডব্লিউসি, পিএসসি, পিএইচডি।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা, জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মাহমুদুল হাসান পিএসসি,জেলা পরিষদের সদস্য কাঞ্চন জয় তঞ্চঙ্গ্যা,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোরশেদ আলম,বম সোশ্যাল কাউন্সিলের সভাপতি লাল জারলম বম, সম্প্রদায়ের নারী নেত্রী মেরী জয় বম,রোয়াংছড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম, রোয়াংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান চহাই মং মারমা,রোয়াংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান মেহ্লা অং মারমা,আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিশ্ব নাথ তংচঙ্গা,পাড়া কারবারি, সুবিধাভোগী জনসাধারণ, বান্দরবান প্রেসক্লাব সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু,সাধারণ সম্পাদক মিনারুল হক, প্রথম আলো সাংবাদিক বুদ্ধজ্যোতি চাকমা,৭১টিভি প্রতিনিধি জহির রায়হান, জি টিভি প্রতিনিধি মো:ইসহাক, ডেইলি ইন্ডাস্ট্রি বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মুহাম্মাদ আলী,এসএ টিভি প্রতিনিধি উ সি থোয়াই’সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।
এসময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা বলেন দীর্ঘ সংহিতায় এই এলাকায় বসবাসকারী জনসাধারণের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ধাপে ধাপে কিভাবে আলোচনার অগ্রগতির মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় সেইদিকে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।
৬৯ পদাতিক ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন আহম্মেদ বলেন আমরা চাই একটি সৌহার্দপূর্ণ বান্দরবান, যেখানে নানা ধর্ম বর্ণ সকল সম্প্রদায়ের মাঝে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় থাকবে। যারা পূর্বে পাড়া থেকে চলে গিয়েছিলো তারা নির্ভয়ে আবার পাড়ায় ফিরে আসতে পারবে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সেনাবাহিনী অতীতের মতো এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবে। ২৭শে নভেম্বর সোমবার সকালে প্রথমে ক্যাপলং পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ২৮ জন এবং পরে পাইক্ষ্যং পাড়া ফুটবল মাঠে ৮০ জন সহ মোট ১১০ টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী, ঔষধ সামগ্রী, শীত বস্ত্র এবং ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফ এর ভয়ে মানুষজন কয়েকটি পাড়া হতে পালিয়ে যায়। বম জনগোষ্ঠীর ৯৭টির অধিক পরিবারের ৪০০ জনের অধিক সদস্য, নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে দীর্ঘ ৯ মাস ধরে চলা অস্থিরতার অবসান ঘটে শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটি ও কেএনএফ এর শান্তি আলোচনার মাধ্যমে। পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা কে আহ্ববায়ক করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠিত শান্তি কমিটির সাথে গত ৫ই নভেম্বর বান্দরবানের রুমায় শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটির সঙ্গে নতুন সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সঙ্গে প্রথম মুখোমুখি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক এর ফলশ্রুতিতে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় নিজেদের আবাসস্থলে ফিরতে শুরু করে বম সম্প্রদায়ের জনসাধারণ।