বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে ইউনিফাইড (একীভূত) লাইসেন্স পেয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় উদ্ভাবনী ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক। এই লাইসেন্স থেকে প্রাপ্ত সুবিধার ফলে বাংলালিংক-এর জন্য উন্নত সংযোগ ও গ্রাহকসেবা প্রদানের ক্ষেত্র আরও প্রশস্ত হয়েছে। একীভূত এই লাইসেন্স সুবিধা বর্তমানে বিদ্যমান থাকা টু-জি, থ্রি-জি, ফোর-জিসহ ভবিষ্যতে আসন্ন সকল প্রযুক্তিগত সেবাপ্রদানের লাইসেন্সকে একত্রীকরণ করেছে। বাংলালিংক-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, এরিক অস বিটিআরসি অফিসে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ-এর কাছ থেকে এই একীভূত লাইসেন্স গ্রহণ করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে বিটিআরসি ও বাংলালিংক-এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। নতুন ইস্যকৃত এই লাইসেন্স সংযোগ বৃদ্ধি ও টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানের পথকে মসৃণ করবে। এছাড়াও এটি একটিভ শেয়ারিং, ডাটা রিটেনশনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নীতিমালা, অডিট চলাকালীন সময়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন ফি নির্ধারণে আরো স্বচ্ছতা এনেছে। এর ফলে উন্নত প্রযুক্তিগত সেবাপ্রদান সহজ হবে যা উদ্ভাবনী সেবার মান বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ রুপকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। বাংলালিংক-এর মূল কোম্পানি ভিওন-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কান তেরজিওগ্লু বলেন, “উচ্চ মানসম্মত গ্রাহকসেবার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে একীভূত লাইসেন্স সুবিধাটি আমাদের জন্য একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী প্রাপ্তি। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার যৌথ লক্ষ্যে কাজ করতে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের এই সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণে বাংলালিংকে সহযোগিতা করার জন্য বিটিআরসি-কে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।” বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আজ বাংলালিংক-কে একীভূত লাইসেন্স প্রদানের মাধ্যমে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে টেলিকম খাতকে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলাম। কর্পোরেট গভার্নেন্স-এর মান বজায় রেখে ডিজিটালি উন্নত ও সমৃদ্ধ আগামী গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়ার জন্য আমরা বাংলালিংক-কে সাধুবাদ জানাচ্ছি।” বাংলালিংক-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, এরিক অস একীভূত লাইসেন্স প্রাপ্তিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “এটি সারা দেশে উদ্ভাবনী ডিজিটাল সেবা বিস্তৃতির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য। এই পদক্ষেপটি বাংলালিংক-এর জন্য গ্রাহকের পরিবর্তিত চাহিদা অনুযায়ী আরো বেশি ডিজিটাল সেবা প্রদানের পথ সহজ করে দিল।”
বাণিজ্য
বাংলালিংক-এর মূল কোম্পানি ও বিশ্বের অন্যতম ডিজিটাল অপারেটর ভিওন, পরিবেশগত, সামাজিক ও সুশাসনমূলক (ইএসজি) কাজে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মরগান স্ট্যানলি ক্যাপিটাল ইন্টারন্যাশনাল (এমএসসিআই) কর্তৃক ‘এএ’ রেটিং অর্জন করেছে। বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলিকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও সেবা প্রদান করে থাকে এমএসসিআই। বাংলালিংকসহ বিশ্বজুড়ে ভিওন-এর অন্যান্য অপারেটররা টেকসই ও ডিজিটালি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে এই সামগ্রিক রেটিং অর্জনে গুরত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, বাংলালিংক তাদের ‘সকলের জন্য ফোর-জি’ কার্যক্রমের বাস্তবায়নের মাধ্যমে ইতোমধ্যে দেশের বিশালসংখ্যক জনগোষ্ঠীর কাছে ডিজিটাল সেবার সুফল পৌঁছে দিয়েছে। এই প্রচেষ্টা দেশের ডিজিটাল রুপান্তরের ক্ষেত্রে ও সরকারের “স্মার্ট বাংলাদেশ”-এর লক্ষ্য পূরণে গুরত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বাংলালিংক-এর ইএসজি এজেন্ডা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০২৬ সাল নাগাদ কোম্পানিটি নারী কর্মীদের সংখ্যা ৩ শতাংশ বাড়িয়ে ২৯ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছে। সম্প্রতি বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড মোবাইল কংগ্রেস’-এ জিএসএমএ-এর ‘কানেক্টেড উইমেন ইনিশিয়েটিভ’-এর সাথে যৌথভাবে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এছাড়াও, বাংলালিংক এর উদ্ভাবনী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম মাইবিএল সুপার অ্যাপ ও টফি-এর মাধ্যমে শিক্ষা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে লাখো মানুষের জীবনে অবদান রেখে যাচ্ছে। মাইবিএল সুপার অ্যাপ দেশের প্রথম টেলকো সুপার অ্যাপ, বর্তমানে এর আশি লাখেরও বেশি মাসিক সক্রিয় গ্রাহক রয়েছে। সম্প্রতি বাংলালিংক টেকসই ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে তাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করেছে, যা কার্বন নিঃসরণ কমানোর পাশাপাশি প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা কার্যক্রমের সাথে সামঞ্জস্য বজায় রাখছে। এই অর্জন কর্মীদের সম্পৃক্ততা ও তাদের সন্তুষ্টির নিশ্চয়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ভিওন-এর প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরে। ভিওন-এর গ্রুপ সিইও কান তেরজিওগ্লু কোম্পানির কর্মচারী ব্যবস্থাপনা নিয়ে গর্বিত, কারণ এটি সংশ্লিষ্ট সেক্টরের অন্য সকলের চেয়ে মানসম্মত।১৬ কোটিরও বেশি গ্রাহক নিয়ে বিশ্বের ছয়টি দেশে বিস্তৃত ভিওন-এর সফলতার মূলে রয়েছে বেশকিছু গুরত্বপূর্ণ মৌলিক সিদ্ধান্ত। এরমধ্যে অন্যতম হলো, ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনে প্রভাব বিস্তারকারী পরিকল্পনা তৈরি ও বাস্তবায়ন, সুশাসন নিশ্চিতকারী নীতিমালাগুলিকে প্রাধান্য দেওয়া ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করা। বাংলালিংক-এর সিইও, এরিক অস বলেন, “ভিওন এর ‘এএ’ রেটিং কেবলমাত্র ‘সবার জন্য ফোর-জি’ উদ্যোগের প্রতি বাংলালিংকের নিষ্ঠাকেই নির্দেশ করে না, বরং সকলের জন্য উদ্ভাবনী ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এর বিশেষ ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেয়। বাংলালিংক-এর গৃহীত কার্যক্রমগুলির মূলে ছিলো সবার জন্য উপযোগী কর্মপরিবেশ নিশ্চতি করা, বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে উদ্যোগ গ্রহণ ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাওয়া।” এই অর্জনটি বিশ্বব্যাপী ১৩১টি টেলিযোগাযোগ সেবা সংস্থার মধ্যে ভিওনকে ‘নেতৃত্বদানকারী’ বিভাগে স্থান দেয়, যা টেকসই এবং নৈতিক ব্যবসায়িক অনুশীলনের প্রতি প্রতিশ্রুতির প্রমাণ।
পরিবেশ-বান্ধব ফাইবারগ্লাস রিইনফোর্সড প্লাস্টিক (এফআরপি) দিয়ে তৈরি উন্নত টেলিকমিউনিকেশন টাওয়ার চালু করতে যাচ্ছে ইডটকো বাংলাদেশ ও হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেড। এ উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানগুলো একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। গত সপ্তাহে স্পেনের বার্সেলোনায় আয়োজিত ‘মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে’ (এমডব্লিউসি) এই এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়।
এই চুক্তির বাস্তবায়ন হলে, ইডটকো বাংলাদেশ হবে দেশের প্রথম টাওয়ার কোম্পানি যারা মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের ফাইবারগ্লাস টাওয়ার সমাধান প্রদান করবে। এক্ষেত্রে এফআরপি টাওয়ার তৈরিতে দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে টেকনোলজি পার্টনার হিসেবে ইডটকো টিমের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে হুয়াওয়ে।
নতুন এই এফআরপি সল্যুশন্স টাওয়ারের ওজন কমাবে ৪৪ শতাংশ পর্যন্ত এবং ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত নির্মাণ দক্ষতা বৃদ্ধি করবে। ফলে এটি হবে দেশের জনবহুল এলাকাগুলোর রুফটপ সাইটের জন্য একটি আদর্শ সমাধান। এই টাওয়ারগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়, যাতে এতে রেডিও তরঙ্গ প্রতিফলিত না হয়। তাই এটি দক্ষ মাইক্রোওয়েভ ট্রান্সমিশন নিশ্চিত করে। এর স্থায়িত্ব কোনো রকম ক্ষতি ছাড়াই হাই ভোল্টেজ সহ্য করার সক্ষমতা প্রদান করে। তাছাড়া, এগুলো ইনস্টল এবং পরিবহন করাও সহজ। এ কারণে আরও দক্ষতার সঙ্গে নির্মাণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। এর পরিবেশ-বান্ধব ফিচার কম কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ নিশ্চিত করে এবং ঘন-ঘন রঙ করার প্রয়োজনীয়তাও হ্রাস করে। এই অনন্য টেলিকম অবকাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশের উদীয়মান টাওয়ার ইন্ডাস্ট্রিতে আরও অবদান রাখা সম্ভব।
ইডটকো ও হুয়াওয়ে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (সিএমডি) সুনীল আইজ্যাক। তাঁর মতে, “আমাদের এই অংশীদারিত্ব হলো বাংলাদেশের সমৃদ্ধিশীল টেলিকম অবকাঠামো উন্নত করার ক্ষেত্রে একটি অসাধারণ সুযোগের উপস্থাপন। আমাদের টেকসই লক্ষ্য বাস্তবায়নে এই চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই ইন্ডাস্ট্রির ভবিষ্যত গঠনে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উন্নত টেকসই অনুশীলনের মাধ্যমে আমরা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের সঙ্গে বাংলাদেশকে যুক্ত রাখার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাব। আমরা আশাবাদী যে, হুয়াওয়ে’র সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্ব অন্যদেরও এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে এবং সম্মিলিতভাবে দেশের শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিতে আরও বেশি অবদান রাখবে।”
হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট হুয়ে বলেন, “বাংলাদেশের অবিস্মরণীয় প্রবৃদ্ধিতে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে ইডটকো ও হুয়াওয়ে। এবং আমদের নতুন এই যৌথ পদক্ষেপ প্রতিশ্রুতিরই আরও একটি প্রমাণ। সাইটের সুযোগ-সুবিধার সহজলভ্যতা বৃদ্ধির পাশাপাশি টাওয়ার অবকাঠামো শিল্পে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে আমরা একসাথে কাজ করব। আমি বিশ্বাস করি হুয়াওয়ে’র যুগান্তকারী উদ্ভাবনসমূহ এবং ইডটকো’র দক্ষতার সমন্বয়ে আমরা একটি টেকসই ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাব।”
মালয়েশিয়া-ভিত্তিক বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম টেলিকম টাওয়ার অবকাঠামো কোম্পানি ইডটকো গ্রুপ। এর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইডটকো বাংলাদেশ টেকসই অবকাঠামোর তৈরির মাধ্যমে একটি টেকসই পৃথিবী গড়তে ইডটকো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আর তাই ব্যাম্বু টাওয়ার, হাইব্রিড সোলার-উইন্ড টাওয়ার, স্পান প্রিস্ট্রেসড কংক্রিট টাওয়ার এবং স্মার্ট পোল স্ট্রিট ফার্নিচারের মতো বিভিন্ন উদ্ভাবনী ও পরিবেশ-বান্ধব সমাধানের এর মধ্যেই নিয়ে এসেছে। এছাড়াও দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসাবে ইডটকো ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে এসডিজি অর্জনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এবংএকইসঙ্গে টেকসই যাত্রার অগ্রগতির বিষয়ে স্বচ্ছতা রক্ষার্থে অঙ্গীকারবদ্ধ প্রতিষ্ঠানটি।
নিবন্ধন শুরু
হুয়াওয়ে ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার ২০২৪ বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার নিবন্ধন শুরু হয়েছে। দেশের স্নাতক তৃতীয় বর্ষ বা এর উপরের পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা তাদের সিভি পাঠিয়ে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। দেশের শিক্ষার্থীদের আইসিটি জ্ঞান/দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি মজবুত আইসিটি অবকাঠামো গড়ে তুলতে প্রতি বছর এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে হুয়াওয়ে।
হুয়াওয়ে বাংলাদেশ একাডেমিতে শনিবার আয়োজিত একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার ২০২৪ বাংলাদেশ-এর উদ্বোধনের ঘোষণা দেওয়া হয়। মাননীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. ইয়াও ওয়েন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর কমিশনার প্রকৌশলী শেখ রিয়াজ আহমেদও অন্যান্য অতিথিরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। হুয়াওয়ের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট এবং হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও প্যান জুনফেংয়ের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুরু হয়।
এই বছর পুরস্কার হিসেবে বাংলাদেশ রাউন্ডের চ্যাম্পিয়ন পাবে হুয়াওয়ে মেটবুক, প্রথম রানার আপ পাবে হুয়াওয়ে প্যাড এবং দ্বিতীয় রানার আপ পাবে হুয়াওয়ে স্মার্ট ওয়াচ। এর পাশাপাশি, এশিয়া প্যাসিফিক রাউন্ডের শীর্ষ দুইটি প্রজেক্ট টিমের সদস্যরা পাবে চীন ভ্রমণের সুযোগ।

মাননীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, “চীন ও হুয়াওয়ে বাংলাদেশকে প্রযুক্তিগতভাবে এগিয়ে যেতে সহায়তা করে আসছে।“এই প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করার তিনি হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ জানান, এবং এই প্রতিযোগিতা থেকে প্রাপ্ত জ্ঞানের সর্বোচ্চ ব্যবহার করার আহ্বান জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আজকের তরুণ এই ধরণের সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগাতে পারলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ জাতি হিসেবে এগিয়ে যাবে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. ইয়াও ওয়েন বলেন, “”সিডস ফর দ্য ফিউচার হুয়াওয়ের একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম। এর লক্ষ্য হল সামাজিক দায়বদ্ধতাকে আরও ভালভাবে পূরণ করার পাশাপাশি বাংলাদেশের আইসিটি সেক্টরে তরুণদেরকে প্রশিক্ষিত করা। এই প্রোগ্রামটি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের চাহিদাকে বিস্তৃতভাবে পূরণ করতে পারবে।”
তিনি আরও বলেন, “তরুণরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাতা। সেইসাথে বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কেরও ভবিষ্যৎ। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, এই প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা হুয়াওয়ের এই জ্ঞানভিত্তিক প্ল্যাটফর্মকে সম্পূর্ণভাবে ব্যবহার করবে, অনেকের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে জ্ঞান বিনিময় করবে ও দেশকে সেবার জন্য দক্ষতা বাড়িয়ে তুলবে।””
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর কমিশনার প্রকৌশলী শেখ রিয়াজ আহমেদ বলেন, “প্রায় ছয় বিলিয়ন মার্কিন ডলারের যে বিশ্বব্যাপী আইসিটি খাত তাতে বাংলাদেশেও অংশগ্রহণ করবে আমরা এমনটা প্রত্যাশা করি। আমরা জানি এই আইসিটি খাত হুয়াওয়ের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল। আমাদের দেশের আইসিটি ক্ষেত্রের তরুণ প্রতিভাদের অন্যান্য দেশের তরুণদের সাথে যুক্ত করে একটি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে যেভাবে এগিয়ে যেতে হুয়াওয়ে সাহায্য করছে তা প্রশংসার দাবীদার। । আমি এই আয়োজনের সফলতা কামনা করি ”
লোকমান হোসেন মিয়া উল্লেখ করেছেন যে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য এটি খুবই ভালো সময়। বাংলাদেশে দক্ষিণ এশিয়া সদর দপ্তর স্থাপনের জন্য তিনি হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ জানান।
হুয়াওয়ের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট এবং হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও প্যান জুনফেং বলেন, “প্রতিবছরের মত এবারও ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার ২০২৪ বাংলাদেশ’ শুরু করতে পেরে আমরা আনন্দিত। তরুণদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে এটি হুয়াওয়ের একটি অনন্য কর্মসূচি, যা বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীকে সহযোগিতা করার প্রতি আমাদের দৃঢ় প্রত্যয়কে তুলে ধরে। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের প্রশিক্ষণের সুবিধা প্রদানে সফল হয়েছি। আমি আত্মবিশ্বাসী যে, এই বছর আমরা আরও প্রতিভাবান তরুণকে এই প্রতিযোগিতায় যোগ দিতে দেখবো, যারা আগামীতে দক্ষ আইসিটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে নেতৃত্ব দেবে।”

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের সচিব মো. নুরুল হাফিজ বলেন, “হুয়াওয়ে বাংলাদেশের আইসিটি ক্ষেত্রে অবদান রাখার পাশাপাশি অনেক ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নিয়েও কাজ করছে। হুয়াওয়ের ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম হিসেবে সিডস ফর দ্য ফিউচার শুধু কর্পোরেট দায়িত্বের উদাহরণই নয়। এতে বিশ্বব্যাপী প্রতিভাবান তরুণদেরকে দিকনির্দেশনা প্রদানের প্রত্যয়ও প্রতিফলিত হয়। ডিজিটাল যুগের পরবর্তী প্রজন্মের নেতৃত্ব সৃষ্টির জন্য চালু করা প্রোগ্রামটি শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি আন্তর্জাতিক নাগরিকতা, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও উদ্যোগ গ্রহণের মনোভাবকে উৎসাহিত করে।”
ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৩০ প্রাপ্ত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। আগ্রহী শিক্ষার্থীদেরকে ২০শে মার্চ ২০২৪-এর মধ্যে sftfbd@huawei.com -এ সিভি ইমেল করতে হবে।
২০১৪ সালে বাংলাদেশে শুরু হওয়ার পর থেকে ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ দেশের তরুণদেরকে বিশেষ সুযোগ দিয়ে আসছে। এর মাধ্যমে তারা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা ও বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে দিক নির্দেশনা পাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী ১৫,০০০-এরও বেশি শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে এই প্রোগ্রাম থেকে উপকৃত হয়েছে।
আরও বিস্তারিত জানতে অংশগ্রহণে আগ্রহীরা হুয়াওয়ে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন
ফ্যাশন ও উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয়ে পণ্য তৈরিতে জোর হুয়াওয়ের মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস ২০২৪
স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে (এমডবি¬উসি) উন্নতমানের প্রযুক্তিপণ্য প্রদর্শন করেছে হুয়াওয়ে। হাই-এন্ড, ফ্যাশন-ফরওয়ার্ড ও প্রযুক্তিবান্ধব এসব ফ্ল্যাগশিপ পণ্য অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে আগ্রহ তৈরি করেছে। বিশেষ করে হুয়াওয়ে মেট ৬০ আরএস আলটিমেট ডিজাইন, হুয়াওয়ে ফ্রিক্লিপ এবং হুয়াওয়ে ওয়াচ জিটি ৪ দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। এর মাধ্যমে হুয়াওয়ে বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারীদের মাঝে উদ্ভাবনী পণ্য ও সেবা আরও সহজলভ্য করার পাশাপাশি তাঁদের আধুনিক, ভবিষ্যতমুখী ও ব্যক্তিগত রুচি অনুযায়ী ফ্যাশন চাহিদা মিটাতে পারবে।

যুগান্তকারী স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে আসার ক্ষেত্রে হুয়াওয়ে অগ্রণী ভ‚মিকা পালন করে যাবে এবং সবার জন্য বিজ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট সলিউশন ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এক্ষেত্রে হুয়াওয়ের স্মার্ট উইয়ারেবলসে ব্যবহারকারীদের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে মূল বিষয়গুলিকে আরও গুরুত্ব দেয়া হবে। এ জন্য গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে গ্রাহকদের জন্য যুগান্তকারী সুবিধা আনতে কাজ করবে হুয়াওয়ে। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ২০২৪ সালে হুয়াওয়ে এই তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেবে: ঘুম, রক্তচাপ ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা।
উল্লেখ্য, গত বছরে হুয়াওয়ে কনজিউমার বিজনেস গ্রæপ উলে¬গযোগ্য অগ্রগতি আর্জন করেছে। এই সময়ে হাই-এন্ড, ফ্যাশন-ফরওয়ার্ড ও প্রযুক্তিচালিত আকর্ষণীয় সব পণ্য এনে ওয়ারেবল (পরিধেয়), অডিও, ট্যাবলেট, পার্সোনাল কম্পিউটার এবং স্মার্টফোনের বাজারে যুগান্তকারী ভ‚মিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব ফ্ল্যাগশিপ পণ্য উন্মোচনের জন্য ইতোমধ্যে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা এবং এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে হুয়াওয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে হাই-এন্ড প্রযুক্তিপণ্যের প্রসারে হুয়াওয়ের প্রতিশ্রæতির প্রতিফলন।

২০২৩ সালে হুয়াওয়ে মেট ৬০ সিরিজ ও হুয়াওয়ে মেট এক্স৫-সহ বেশকিছু ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন বাজারে এনেছে। এগুলি হাই-এন্ড প্রযুক্তি পণ্যের বাজারে হুয়াওয়েকে বড় ভ‚মিকা পালনে সহযোগিতা করেছে। একই সঙ্গে এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে হুয়াওয়ে প্রযুক্তি খাতে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণে সক্ষম হয়েছে।
কাউন্টার পয়েন্ট রিচার্স যারা বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি পণ্যের বাজার নিয়ে গবেষণা করে। তারা বলছে, বৈশ্বিক হাই-এন্ড স্মার্টফোনের বাজারে ২০২৩ সালে হুয়াওয়ে এর মার্কেট শেয়ার পাঁচ শতাংশ বাড়িয়ে সব ব্র্যান্ডের মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া ২০২৪ সালের প্রথম দুই সপ্তাহে চীনের বাজারে স্মার্টফোন বিক্রিতে প্রথম অবস্থানে ছিল হুয়াওয়ে। ২০২৩ সালে আন্তর্জাতিক বাজারে হুয়াওয়ের স্মার্ট ওয়ারেবল পণ্য সরবরাহ ১৫ কোটি ছাড়িয়েছে। আর টানা পাঁচ বছর চীনের স্মার্ট ওয়াচের বাজারে নিজেদের প্রথম স্থানে রাখতে সক্ষম হয়েছে হুয়াওয়ে। এছাড়া হুয়াওয়ের হেলথ অ্যাপের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৪৫ কোটি ছাড়িয়েছে । ২০২৩ সালে অর্থাৎ প্রথম ট্যাবলেট বাজারে নিয়ে আসার এক দশক পর হুয়াওয়ে ১০ কোটির বেশি ট্যাবলেট রপ্তানি করতে সক্ষম হয়েছে।

এবার মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে হুয়াওয়ে ঘোষণা দিয়েছে যে, প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ সালে পেপারম্যাট ডিসপে¬ এবং নিয়ারলিংক প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে ডিজিটাল ক্রিয়েশনে এর বিনিয়োগ বাড়াতে থাকবে। এর ফলে গ্রাহকদের আরও উন্নত ডিজিটাল ক্রিয়াশনের অভিজ্ঞতা প্রদান করা সম্ভব হবে। হুয়াওয়ের হোস্ট করা গোপয়েন্ট অ্যাক্টিভিটিকে আরও দেশ ও অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়ার জন্য উন্নত করা হবে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ডিজিটাল আর্ট কমিউনিটির কাছে এটি তখন আরও বেশি কার্যকর হয়ে উঠবে।
২০২৪ একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর হতে চলেছে হুয়াওয়ের জন্য। এই বছরে ফ্যাশন-ফরোয়ার্ড ও প্রযুক্তি-চালিত পণ্য, পরিষেবা ও অভিজ্ঞতাকে বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারীদের কাছে আরও সহজলভ্য করে তোলার পাশাপাশি উদ্ভাবনী প্রযুক্তির গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে এই খাতের জন্য এক নতুন মানদন্ড স্থাপন করবে হুয়াওয়ে।
উদ্ভাবনী ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক, দেশের ‘দ্রুততম মোবাইল নেটওয়ার্ক’- এর স্বীকৃতি হিসেবে ওকলা® স্পিডটেস্ট অ্যাওয়ার্ড™ অর্জন করেছে। গত চার বছর ধরে নিয়মিতভাবে বাংলালিংক এই পুরস্কার পেয়ে আসছে।
এই স্বীকৃতি বাংলালিংক-এর নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানের দৃঢ় প্রতিশ্রুতিকে নির্দেশ করে। ৩২.৬৫ এমবিপিএস স্পিড স্কোর ™ নিয়ে ২০২৩ সালের তৃতীয় ও চতুর্থ প্রান্তিকের ওকলা স্পিডটেস্ট রিপোর্টে গত চার বছরে টানা অষ্টমবারের মতো প্রথম স্থানে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
ওকলা স্পিডটেস্ট ® অ্যাপ থেকে প্রতিদিন সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে এই ফলাফল নির্ধারণ করা হয়। নেটওয়ার্কের সক্ষমতা, মান ও উপযোগিতা সঠিকভাবে জানার জন্য বিশ্বব্যাপী এটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অ্যাপ।
এই অর্জন সম্পর্কে বাংলালিংক-এর সিইও এরিক অস বলেন, “দেশের দ্রুততম মোবাইল ইন্টারনেট সেবা প্রদানের মাধ্যমে বাংলালিংক এর গ্রাহককেন্দ্রিক নীতির প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মানুষের আস্থাভাজন ও দ্রুতগতির নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানের জন্য আমরা নেটওয়ার্ক অবকাঠামো সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ইতোমধ্যে নেটওয়ার্ক-এর বিস্তৃতি দ্বিগুণ করা হয়েছে। বাংলালিংক দেশের সবচেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেটের সেবার মাধ্যমে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নের পথ প্রশস্ত করছে। এছাড়াও, টেলিকম সেক্টরে ইন্টারনেট সেবার উৎকর্ষ সাধনের ক্ষেত্রে বাংলালিংক একটি মানদণ্ড স্থাপন করেছে।”
“স্পিডটেস্ট-এর মাধ্যমে গ্রাহকদের অংশগ্রহণমূলক পরীক্ষা নিরীক্ষা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করার পর, বাংলালিংক-কে দেশের ‘দ্রুততম মোবাইল নেটওয়ার্ক’-এর স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে টানা আট বার শুধু বাংলালিংক ওকলা® স্পিডটেস্ট অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছে,” বলেন, স্টিফেন বাই, প্রেসিডেন্ট ও সিইও, ওকলা।
স্টিফেন আরও বলেন, “২০২৩ সালের তৃতীয় থেকে চতুর্থ প্রান্তিকে বাজারে নেটওয়ার্ক সেবাপ্রদানকারী সকল মোবাইল নেটওয়ার্ক-এর গতি ও কর্মক্ষমতা তুলনার ভিত্তিতে শুধু একটি মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। বাংলালিংক-কে টানা চার বছর বাংলাদেশের দ্রুততম মোবাইল নেটওয়ার্কের স্বীকৃতি দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। এটি গ্রাহকদের জন্য বাংলালিংক-এর মান সম্পন্ন ও দ্রুতগতির নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানের একনিষ্ঠ প্রচেষ্টারই ফলাফল।”
দেশজুড়ে চারকোটি ত্রিশ লক্ষের বেশি দ্রুতবর্ধনশীল গ্রাহকসংখ্যা ও ষোল হাজার মোবাইল টাওয়ার নিয়ে গড়ে ওঠা গ্রাহকপ্রতি সর্বোচ্চ স্পেকট্রাম বরাদ্দকারী মোবাইল অপারেটর হিসেবে বাংলালিংক-এর জন্য এই অর্জনটি নিঃসন্দেহে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
ইঞ্জিনিয়ারিং ও ফিন্যান্স বিভাগের তিনটি পদে লোক নিচ্ছে দিয়েছে হুয়াওয়ে টেকনোলজিস বাংলাদেশ (লিমিটেড)। অভিজ্ঞ প্রার্থীরা আগামী ১১ই মার্চ ২০২৪-এর মধ্যে পদগুলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। পদগুলি হলো সিনিয়র ওয়্যারলেস ইঞ্জিনিয়ার, বিজনেস অ্যান্ড প্রজেক্ট ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার (বিপিএচফসি) ও কালেকশন ম্যানেজার (ফাইন্যান্স)।
ট্রাবেলশুটিং, কনফিগারেশন পরিবর্তন, ফিচার ডেপলয়মেন্ট এবং এলটিই (লং টার্ম ইভোলিউশন) টিডিডি (টাইম-ডিভিশন ডুপে¬ক্স)-এর মতো টেকনিক্যাল প্রজেক্ট পরিচালনা হবে সিনিয়র ওয়্যারলেস ইঞ্জিনিয়ার পদের দায়িত্ব। এই পদের জন্য সিএসই/ইইই/ইসিই/ইটিই-তে ন্যূনতম ¯œাতক ডিগ্রি ও মাল্টি-ভেন্ডর ওয়্যারলেস প্রোডাক্ট মেইনটেন্যান্সসহ টেলিকম খাতে পাঁচ বছরের বেশি অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হবে।
বিজনেস অ্যান্ড প্রজেক্ট ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার (বিপিএফসি) পদটিতে নির্বাচিত হতে হলে বিডিং, ঝুঁকি মূল্যায়ন, বাজেট, পূর্বাভাস নির্ণয় ও কর্মদক্ষতা বিশ্লেষণে আর্থিক দক্ষতা থাকতে হবে। পদটির দায়িত্বগুলির মধ্যে রয়েছে ক্লায়েন্টের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখা, আর্থিক নির্ভুলতা নিশ্চিত করা এবং কমপ¬ায়েন্সে সহযোগিতা করা। প্রার্থীদের ন্যূনতম পাঁচ বছরের প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
কালেকশন ম্যানেজার (ফাইন্যান্স) পদটির জন্য পেমেন্ট ফলো-আপ, ট্যাক্স কমপ¬ায়েন্স ও অ্যাকাউন্ট রিসিভেবল (এআর) ক্লিয়ারেন্সসহ অন্যান্য দক্ষতার প্রয়োজন হবে। পদটির দায়িত্বগুলির মধ্যে রয়েছে অ্যাকাউন্টিং এবং ট্রেজারি টিমের সাথে সমন্বয়, কালেকশন গ্যাপ বিশে¬ষণ এবং এলসি কমপ¬ায়েন্স নিশ্চিত করা। এই পদের জন্যও আবেদনকারীদেরও কমপক্ষে পাঁচ বছরের প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
আগ্রহী প্রার্থীরা নীচের লিঙ্কগুলির মাধ্যমে পদগুলির জন্য আবেদন করতে পারবেন:
https://hotjobs.bdjobs.com/jobs/huawei/huawei116.htm
https://hotjobs.bdjobs.com/jobs/huawei/huawei118.htm
https://hotjobs.bdjobs.com/jobs/huawei/huawei117.htm
তথ্যসুত্র: হুয়াওয়ে
বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশ বিষয়ক পুরস্কার ‘দ্য এনার্জি গ্লোব ওয়ার্ল্ড অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে হুয়াওয়ে। স্বাশ্রয়ী শক্তি, স্থায়িত্ব এবং নবায়নযোগ্য উৎসের ওপর নির্ভরশীল প্রকল্পগুলোকে এই পুরস্কারের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেয়া হয়। এনার্জি গ্লোব ফাউন্ডেশন, ইউনাইটেড নেশনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন এবং অস্ট্রিয়ান ফেডারেল ইকোনমিক চেম্বারসহ বিভিন্ন সংস্থার একটি প্যানেল এই পুরস্কারটি প্রদান করে।
ইয়ানচেং লো-কার্বন অ্যান্ড স্মার্ট এনার্জি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক প্রকল্পের জন্য হুয়াওয়েকে এই পুরস্কার দেয়া হয়েছে। হুয়াওয়ে এবং ইয়ানচেং পাওয়ার সাপ্লাই কোম্পানি অফ স্টেট গ্রিড জিয়াংসু এই প্রকল্প যৌথভাবে তৈরি করেছে।
সারা বিশ্বের ১৮০টি দেশ থেকে দুই হাজারেরও বেশি প্রকল্পের মধ্যে এই প্রকল্পকে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়। নেট-জিরো কার্বন ইন্টেলিজেন্ট ক্যাম্পাস প্রকল্প নামে পরিচিত এই প্রকল্পটি পঁচাশি শতাংশ নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপন্ন করতে সক্ষম। প্রচলিত থার্মাল প্রকল্পের সমতুল্য বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে এটি বছরে ত্রিশ লক্ষ কিলোওয়াট-ঘন্টা শক্তি সংরক্ষণ করে এবং পাঁচ হাজার ছয়শ টন কার্বন নির্গমন হ্রাস করে।

এই পুরস্কারের পাশাপাশি হুয়াওয়ে প্রকল্পটির জন্য ওয়ার্ল্ড সামিট ইনফরমেশন সোসাইটি ২০২২-এর চ্যাম্পিয়নের পুরস্কারও অর্জন করেছে। প্রকল্পটির পাঁচটি মূল ভিত্তি রয়েছে – নেট-জিরো কার্বন শক্তি সরবরাহ, বহুমাত্রিক শক্তির সমন্বয়, সর্বোচ্চ শক্তি ব্যবহারের দক্ষতা, ডিজিটাল সক্ষমতা এবং বহুদেশীয় উদ্ভাবন। নবায়নযোগ্য শক্তি, কেন্দ্রীভূত এবং ডিজিটাল সরবরাহ ব্যবস্থা, হাইড্রোজেন এবং শক্তি সঞ্চয় ব্যবস্থা এই প্রকল্পের উদ্ভাবনী প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়েছে। শক্তি উৎপাদন, কার্বন নিঃসরণ রোধ এবং ডিজিটাল ইন্টিগ্রেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অফ থিংস ও ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারের মাধ্যমে হুয়াওয়ে একটি ত্রি-মাত্রিক ব্যবস্থা তৈরি করেছে, যা টেকসই এবং কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।
প্রকল্পটি টিথ্রি ট্রান্সফরমেশন মডেল ও নেট-জিরো কার্বন ইন্টেলিজেন্ট এনার্জি সিস্টেম প্রয়োগ করেছে। কার্বন ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি ও কার্বন-নিরপেক্ষ হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন দেশকে এই ধরণের প্রযুক্তি সহযোগিতা করবে।
সাময়িক বিরতির পর স্মার্টফোনের বাজারে নতুন এক চমক নিয়ে হাজির হলো স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি। সি-সিরিজের নতুন সি৬৭ ডিভাইস বাজারে এনে স্মার্টফোনের গুণমানকেই বদলে দিয়েছে তরুণদের জনপ্রিয় এ স্মার্টফোন ব্র্যান্ড। এই ডিভাইসটিতে রয়েছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা ও স্ন্যাপড্রাগন ৬৮৫ ৬এনএম চিপসেট। মাত্র ২২,৯৯৯ টাকার আকর্ষণীয় মূল্যের রিয়েলমি’র এ মুঠোফোনটি সিরিজের সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তির স্মার্টফোন।
বিশ্বজুড়ে সি-সিরিজের ১০০ মিলিয়নেরও বেশি ফোন বাজারে ছাড়ার পর এই নতুন মডেলটি চালু করেছে রিয়েলমি। এর ক্যামেরায় রয়েছে সেগমেন্টের প্রথম শক্তিশালী ইন-সেন্সর জুম এবং শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর, যা একটি মানসম্মত ইউজার এক্সপেরিয়েন্স প্রদানের মাধ্যমে স্মার্টফোন ইন্ডাস্ট্রিতে একটি মাইলফলক স্থাপন করবে।
সেগমেন্টের প্রথম ১০৮ মেগাপিক্সেল কোয়ালিটি ক্যামেরার রিয়েলমি সি৬৭ সিরিজটি স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। ডিভাইসটির মাধ্যমে চমৎকার ছবি তোলা বা ভিডিও করা সম্ভব, যা প্রতিযোগী স্মার্টফোনগুলোর ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার তুলনায় স্পষ্টতই উন্নতমানের। এ সেগমেন্টের ক্যামেরায় সর্বোচ্চ পিক্সেল ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি পিক্সেল ছবি প্রসেসিংয়ের পাশাপাশি ক্রিস্টালের মতো স্বচ্ছ ছবি তোলারও কাজ করে।
ফটোগ্রাফিক দক্ষতার পাশাপাশিরিয়েলমি সি৬৭ সিরিজে রয়েছে ৩এক্স ইন-সেন্সর জুম। সি-সিরিজে এই প্রথমবারের মতো এমন উন্নত ক্যামেরা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। বৈচিত্র্যময় ছবি তোলার ক্ষেত্রে এ সেন্সর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
রিয়েলমি সি৬৭ ডিভাইসের মাধ্যমে সি-সিরিজের ক্ষেত্রে এবারই প্রথম স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরের অসাধারণ পারফরম্যান্সের সাক্ষী হবেন রিয়েলমি প্রেমীরা। গ্রাহকদের নেক্সট-লেভেলের পাওয়ারসহ দক্ষতা ও নির্ভরযোগ্যতার অনন্য অভিজ্ঞতা দিতে এ ফোনে রয়েছে স্ন্যাপড্রাগন ৬৮৫ ৬এনএম চিপসেট। এর ৩৩০কে এরও বেশি শক্তিশালী স্কোর সমৃদ্ধ চিপসেট দারুণ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি স্মার্টফোন ব্যবহারকারীকে দিচ্ছে নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্সের গ্যারান্টি! সিপিইউ-তে ১৫ শতাংশ বুস্টিং পারফরম্যান্স, জিপিইউ এর ক্ষেত্রে বাড়তি ১০ শতাংশ পারফরম্যান্স এবং মূল ফ্রিকোয়েন্সিতে ২.৮ গিগা হার্টজের অনন্য সমন্বয় ফোনপ্রেমীদের দেয় মাল্টি-টাস্কিং ও গেমিংয়ের জন্য নির্ভরযোগ্যতার প্রতিশ্রুতি।

রিয়েলমি’র সি৬৭ সিরিজটিতে রয়েছে সেগমেন্টের সবচেয়ে উজ্জ্বল ৯৫০ নিট ডিসপ্লে, যা যে কোনো ছবি বা ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে অত্যাশ্চর্য ভিজ্যুয়াল প্রদান করে। এমনকি সরাসরি সূর্যের আলোতেও স্পষ্টভাবে কন্টেন্ট দেখার গ্যারান্টি দেয় এই ডিসপ্লে। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের একটি গুণগত অভিজ্ঞতা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রিয়েলমি। এই প্রতিশ্রুতি প্রদর্শনের অংশ হিসেবে, ডায়নামিক নচ ‘মিনি ক্যাপসুল ২.০’ তরুণ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে যোগ করেছে ইন্টারেক্টিভ সফটওয়্যার ফাংশন।
এ সেগমেন্টের মধ্যে রিয়েলমি সি৬৭ ডিভাইসটিই প্রথম, যা এর স্ক্রিন প্লাস্টিক ব্র্যাকেট সরাতে সক্ষম। এতে এমন একটি ডিজাইন করা ফিচার ব্যবহার করা হয়েছে, যা কাঠামোগতভাবে জটিল হওয়ায় সাধারণত হাই-এন্ড ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসগুলোর জন্য সংরক্ষণ করা হয়। এছাড়াও, এ স্মার্টফোনে রয়েছে ৮ জিবি র্যাম ও ১২৮ জিবি রমের অনন্য সুবিধা। একদিকে ফোনের কার্যক্রম সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে সেরা পারফরম্যান্স দেবে এই ৮ জিবি র্যাম, অন্যদিকে দুশ্চিন্তার হাত থেকে রেহাই দিয়ে স্মার্টফোনপ্রেমীদের প্রচুর স্টোরেজ সুবিধা প্রদান করবে ১২৮ জিবি রম।
সানি ওয়েসিস ও ব্ল্যাক রক- দুটি অসাধারণ রঙে পাওয়া যাচ্ছে রিয়েলমি সি৬৭ সিরিজটি। পাশাপাশি এর বডি মাত্র ৭.৫৯ মিলিমিটারের, যা সেগমেন্টের সবচেয়ে পাতলা বডির ফোন।
(https://cutt.ly/PreBookC67) -এই লিঙ্কটি ব্যবহার করে প্রি-বুকিং দিয়ে গ্রাহকরা রিয়েলমি সি৬৭ স্মার্টফোনটি কেনার অনন্য সুযোগ লুফে নিতে পারেন। অথবা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত রিয়েলমি’র যে কোনো অনুমোদিত স্টোরেও এ স্মার্টফোনের প্রি-বুকিং দিতে পারেন। এছাড়া, গ্রাহকরা তাদের প্রিয়জনকেও উপহার দিতে পারেন এ অসাধারণ ফিচার সমৃদ্ধ স্মার্টফোনটি। তাই গ্রাহকদের এ অনন্য সুযোগ প্রদান করতে অনলাইনে পণ্য কেনাকাটার প্ল্যাটফর্ম দারাজে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী একটি স্পেশাল ফ্ল্যাশ সেল অফার দিচ্ছে এ স্মার্টফোন প্রযুক্তি ব্র্যান্ড। এই ফ্ল্যাশ সেলের মাধ্যমে রিয়েলমি সি৬৭ সিরিজটিকে ভ্যালেন্টাইন’স ডে’র সেরা উপহার হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেখানে মূল্যছাড়সহ ২১,৬৯৯ টাকায় পাওয়া যাবে এ ফোনটি। এছাড়াও ০% ইএমআই সুবিধা, এক্সপ্রেস ডেলিভারি এবং অরিজিনাল ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টি সুবিধাতো থাকছেই।
স্মার্টফোনের ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যেদেশের শীর্ষস্থানীয় উদ্ভাবনী ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক, সোয়াপ বাংলাদেশ লিমিটেড-এর সাথে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির ফলে গ্রাহকরা বাংলাদেশে প্রথমবারের মত নতুন ফোর-জি স্মার্টফোন ক্রয়ের সময় পুরাতন ফোনের বিনিময় মূল্যের ১২% বাড়তি পাচ্ছেন। জিএসএমএ-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট ফোন ব্যবহারকারীর মাত্র ৪৮% স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। তাই স্মার্টফোনকে আরও সহজলভ্য করতে ও সাধারণ গ্রাহকের ক্রয়ক্ষমতার ভেতর নিয়ে আসতে বাংলালিংক এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এখন থেকে বাংলালিংক গ্রাহকরা সোয়াপ থেকে তাদের যেকোনো থ্রি-জি বা ফোর-জি ফোন বদলে নতুন যেকোনো ফোর-জি ফোন ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই অফার উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়াও, বাংলালিংক-এর সাথে অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবে সোয়াপ বাংলাদেশ এই অফারের অধীনে বিক্রয় করা যে কোন ফোর-জি ফোনে ১২ মাস পর্যন্ত বিক্রয়োত্তর সুবিধা প্রদান করছে। বাংলালিংকও ই-সিম পরিবর্তন সুবিধাসহ আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার প্রদান করছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলালিংক-এর গ্রাহকবান্ধব নীতির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে বাংলালিংক-এর মার্কেটিং অপারেশনস ডিরেক্টর, মেহেদী আল আমীন বলেন, “সোয়াপ-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আমরা ফোর-জি উপযোগী মোবাইল ফোনের ব্যবহার বাড়াতে চাই। আমাদের এই উদ্যোগ গ্রাহকদের মাইবিএল সুপার অ্যাপ ও টফি-এর মত ডিজিটাল এন্টারটেইনমেন্ট প্ল্যাটফর্মগুলি ব্যবহার করার সুযোগ করে দেবে ও তাদের ডিজিটাল লাইফস্টাইলের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।” সোয়াপ-এর ডিরেক্টর এবং চিফ অপারেটিং অফিসার, তন্ময় সাহা বলেন, “ডিজিটাল সেবার মান বৃদ্ধির যৌথ লক্ষ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুতগতির ফোর-জি সেবা প্রদানকারীদের সাথে কাজ করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। আশা করছি বাংলালিংক গ্রাহকরা আমাদের সেবা গ্রহণ করবেন এবং তাদের ব্যবহৃত থ্রি-জি ও ফোর-জি ফোনকে সোয়াপ থেকে নতুন ফোর-জি ফোনে উন্নিত করে বাংলাদেশের ডিজিটাল রুপান্তরের অংশ হবেন।” সোয়াপ বাংলাদেশ-এর যেকোনো বিক্রয়কেন্দ্র থেকে এই অফারগুলো পাওয়া যাবে। বিক্রয়কেন্দ্রের ঠিকানা জানতে ভিজিট করুন- https://bitly.ws/3cprv

